৭১-এ বাংলাদেশ রাষ্ট্র তৈরি হওয়ার পিছনে মূল বিষয়ই ছিল বৈষম্য। এ বৈষম্যটা ছিল সামাজিক বৈষম্য, অর্থনৈতিক বৈষম্য, প্রশাসনিক বৈষম্য। বর্তমানে আমরা চাই এই ভূখণ্ডে জাতি, ধর্ম, বর্ণ, দল-মত নির্বিশেষে সবাই read more
”টেকসই উন্নয়নের জন্য অবকাঠামোর চেয়েও বেশি জরুরি ‘মানবিক গুণাবলী’র উন্নয়ন’। যিনি শাসন ব্যবস্থার দায়িত্ব নিলেন, সেই পার্টি বা সেই রাজনৈতিক দল বা সেই শাসন ব্যবস্থার সাথে যারা জড়িত আছে, তাদের
আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে সাধারণ মানুষের ভাবনার গভীরতা অনেক বেশি, রয়েছে সংশয়। সত্যি কি নির্বাচন হবে? যদি হয়, তাহলে ভোট দেবে কাকে? তবে, ৫ই আগস্টে স্বৈরাচারদের বিতাড়িত করার মধ্যদিয়ে সাধারণ
এই প্রত্যাশা কথাটা বলতে গেলেই প্রথমেই প্রত্যাশার বিভিন্ন সেক্টরের বিষয় আসে। প্রত্যাশা একেক মানুষের কাছে একেক রকম, একেক সময়ে একেক রকম। যেই ছেলেটা এসএসসি পরীক্ষা দিচ্ছে, তার কাছে একটা প্রত্যাশা।
দেশের সচেতন নাগরিকদের সহযোগিতা পেলে তাদের সকল চাওয়া পুরন করবে আমার দল। তবে স্বাধীনতার পরবর্তী সময় থেকেই এই জাতিকে বারবার প্রতারিত করা হয়েছে। ব্রিটিশরা নবাব সিরাজ-উদ্-দৌলার কাছ থেকে বাংলার স্বাধীনতা
মূল যে জিনিসটা, সেটা হলো কি ত্রয়োদশ নির্বাচন। আমি আজকে এখানেই, আজকে এই মুহূর্তেও যে জিনিসটা বলতেছি যে, ত্রয়োদশ নির্বাচন আজ হোক কাল হোক হবে। কিন্তু ত্রয়োদশ নির্বাচনটা কি আসলে
আমি তিনটা বিষয়কে হাইলাইট করতে চাই। একটা হচ্ছে জনমানুষের আকাঙ্ক্ষা ও ভাবনা। এর ভেতরে প্রথমত হলো যে, আমাদের প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির মধ্যে বিশাল ফারাক। প্রত্যাশা ও প্রাপ্তিটা কী? সেই প্রত্যাশাটা
বর্তমানে দেশের সাধারণ নির্বাচনকে ঘিরে জনমনে এক ধরনের অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে। নির্বাচন হবে কি হবে না, এই প্রশ্নটি সাধারণ মানুষের মনে ‘মূলোর মতো’ ঝুলছে। তবে উচ্চশিক্ষিত মহলের মতো বড় ধরনের