দেশের সচেতন নাগরিকদের সহযোগিতা পেলে তাদের সকল চাওয়া পুরন করবে আমার দল। তবে স্বাধীনতার পরবর্তী সময় থেকেই এই জাতিকে বারবার প্রতারিত করা হয়েছে। ব্রিটিশরা নবাব সিরাজ-উদ্-দৌলার কাছ থেকে বাংলার স্বাধীনতা কেড়ে নিয়েছিল। নবাব সিরাজ-উদ্-দৌলার শাসন সীমানা ছিল বাংলাদেশ, উড়িষ্যা ও বিহার। কিন্তু ১৯৪৭ সালে ধর্মের ভিত্তিতে আমাদেরকে একটি ছোট ভূখণ্ডের মধ্যে সীমাবদ্ধ করে প্রতারণা করা হয়েছে। এই প্রতারণা থেকে বেরিয়ে এসে আমাদের সীমানা নিয়ে একটি সচেতন জনজোয়ার বা জনসমর্থন তৈরি করা দরকার। একাত্তরের বিপ্লবের পর আরেকটি প্রতারণা করা হয়েছে ‘৭২-এর সংবিধান দিয়ে। অভিযোগ রয়েছে, এই সংবিধান দিয়ে প্রতিনিয়ত স্বৈরাচার তৈরি করা হচ্ছে।

আমার উনিশ শহীদের বগুড়ায়, আমার উনিশটি ভাই যেখানে শহীদ হয়েছেন, সেগুলোর মামলা হয়েছে, সেই মামলাগুলোর বিচার আর কবে হবে?। বারবার আলোচিত লিটন পদ্দাদের মতো খুনি ও সন্ত্রাসীরা যারা আমার ভাইদের ওপর হামলা করেছিল, তাদের বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে আপনারা বগুড়াবাসী কি একটু ঐক্যবদ্ধ হবেন, একটু আওয়াজ তুলবেন কিনা? আজকে অনেক দলের লোক নির্বাচন নিয়ে কথা বলছে। কিন্তু তারা সেই আত্মা ও জীবনের বিনিময়ে পাওয়া স্বাধীনতার কথা বলছে না।
নির্বাচনের ভবিষ্যৎ আজ অনিশ্চিত। এই নির্বাচন নিয়ে আমরা আসলেই স্বস্তিতে থাকব, নাকি আসলে খুনখারাপি ও যুদ্ধের একটা ময়দান তৈরি হবে? জনগণকে অবশ্যই ঐক্যবদ্ধ হয়ে তাদের কাঙ্ক্ষিত স্বাধীন বিচার ব্যবস্থা ও মৌলিক অধিকার নিশ্চিতের জন্য আওয়াজ তুলতে হবে।
প্যানেল আলোচক,
সদস্য, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) বগুড়া জেলা শাখা