গোপালিরা
গোপালিরা ফের ফণা তুলছিস, পাবি না মোটেও পার
নাহিদ, হাসনাত এখনও মরেনি, হয়ে যারে হুসিয়ার
পিটের চামড়া ছিলানোর আগে পালিয়ে ভারতে যা
ওখানে গিয়ে গোমূত্র আর ছাগলের বিছা খা।
এইদেশে নেই আওয়ামের ঠাঁই, এদেশ জনতাবাদি
জনতার সাথে বেঈমান যারা,- চিরকাল অপরাধি
গোপালিরে তোরা অপরাধি জাত, তোদের দু’গালে চড়
তোরা করেছিস এজাতির শির ইতিহাসে নড়বড়।
তোদের এ জাতি করবে না ক্ষমা, তোদের দু হাতে খুন
তোরা জ্বেলেছিস এ জাতির বুকে দ্রোহের সে আগুন
তোরা হায়েনা, পিশাচের জাত তোদের হবে না ঠাঁই
কোথায় পালাবি গোপালি সন্তান? ক্ষমা নাই ক্ষমা নাই।
মাথায় গন্ডগোল
জুলফিকার শাহাদাৎ
তার মাথাটি পুরোই দেখি টাক
তাই বসেছে দুষ্টু কালো কাক
কালো কাকের খাদ্য কী রে দোস্ত
– জানিস না তুই, মরা গরুর গোস্ত।
মরা গরুর গোস খেয়ে সে ডোম
মুখে ফাটায় লাফাঙ্গা সব বোম
তার বংশে সেই-ই নাকি সেরা!
বংশ যে তার ছাগল এবং ভেড়া।
ভেড়ার পালে এখন সে যে বাঘ!
গায়ে হঠাৎ ডোরাকাটা দাগ
তার ডেরা আর বাঘের ডেরা কাছে
এই কারণে ওঠতে পারে গাছে।
ওরে ভেড়া ওরে ছাগের ছা
টাক্কু মাথায় হাগু গিলে খা
খেয়ে খেয়ে শরীর এখন ঢোল
তোর মাথাতে ভীষণ গন্ডগোল।
রিটন মিয়ার পেয়ারে বুবু
ভাঙাচোরা এই আপাকে যায় কি চেনা?
জ্বে না, জ্বেনা
কখন কোথায় দেখেছিলেন, পড়ছে মনে?
-জবাব দিতে পারি, তবে সঙ্গোপনে।
কারণ কী ভাই?
ভয়ে পালাই।
ডাইনি নামের এই বুড়িটি খুনের রানী
খুন করে সে হাসত বিকট, নেই যে গ্লানি
আয়নাঘরে বন্দি করে মারতো মানুষ
সে ছিল এক রাক্ষুসিনি, দৈত্য-ফানুস।
রাক্ষুসিনির নাম যেন কী? আর বাঁচি না-
রিটন মিয়ার পেয়ারে বুবু শেখ হাছিনা।
দুইশ টাকার কর্মচারী
দুইশ টাকার চাকরি নিয়ে দুই মিলিয়ন আয়
এমন সুযোগ একটি ব্যাংকে কে বল হারায়!
গাড়ি পাবো ডজন ডজন, যখন যেটা লাগে
পাইক পেয়াদা থাকবে রেডি বেল বাজানোর আগে।
তেলের নদী সামনে হাজির, সাঁতরাতে বেশ আরাম
কে পিছে কয়,- কালো টাকা হারাম,হারাম,হারাম
মিথ্যে ওসব। টাকায় কি আর থাকবে তেমন লেখা
নীতিকথা পুস্তকে থাক। চাই না পীরের দেখা।
ভাঙবো টেবিল উচ্চস্বরে, বাজবে নিজের ঢোল
কেউ অযথা আঙুল দিলে লাগবে গন্ডগোল
শাস্তি দেব। কঠিন। কঠিন। বদলি বহু দূরে-
রাজ্য আমার। গাইবি সবাই আমার সুরে সুরে।
সবাই গেলেন গাট্টি বেঁধে, ছিলেন বিশাল বীর
আজ ইঁদুরের গর্তে ওরা, প্রাণভয়ে অস্থির
দিন বদলের বার্তা আসে হওগে হুঁশিয়ার
দুর্নীতির এই কুশিলবগণ পার পাবে না পার।
নিজের থুতু নিজের মুখে ছিটাই
কার বিরুদ্ধে লড়াই করি, কাকে আমি পিটাই!
আমি যেন নিজের থুতু নিজের মুখে ছিটাই
স্বজন যারা তাদের দেখি গজিয়ে গেছে দাঁত
ক’দিন আগেও তাদের মাথায় ছিল আমার হাত।
এখন তারা ধ্বংসকামী, কূটনীতিতে পাকা
আমার ক্ষেতে চালাচ্ছে বেশ ষড়যন্ত্রের চাকা
আমার বুকের আগুনজ্বালা কী করে যে মিটাই
আমি যেন নিজের থুতু নিজের মুখে ছিটাই।
আমার ঘরের পরিষদের একটি কানে তালা
এক কানে তাই শুনতে পারে, অন্যটি সিলগালা
সীসার প্রাচীর যায় না ভাঙা, ইচ্ছে শুধু পিটাই
আমি যেন নিজের থুতু নিজের মুখে ছিটাই।