আরবের মুক্ত এলাকা থেকে যাত্রা শুরু করে একটা সেমিটিক দল মেসোপটেমিয়া এলাকায় বসতি গড়ে তুলেছিল। ইহুদিবাদ অতীত তাইগ্রীস ও ইউফ্রেটিস নদী দিয়ে ঘেরা বর্তমান ইরাকের অন্তর্ভুক্ত হিব্রুরা চিরকাল সেমেটিক রক্তের অবিমিশ্র ছিল না। প্রাচীন আনাতোলিয়া সুসভ্য হিটটাইট জাতির সাথে তাদের রক্তের মিশ্রণ হয়েছিল। ইসরায়েল বংশের রাজ্য প্রতিষ্ঠার ইতিবৃত্ত খ্রিষ্টপূর্ব ১৬০০ অব্দের দিকে প্যালেস্টাইনে দুর্ভিক্ষ দেখা দিয়েছিল। এই হিব্রুদের ইসরাইলিদের কিছু দল মিশরে চলে আসলো। মিশরের ফাঁরাও তাদেরকে সেখানে দাসে পরিণত করেন। দীর্ঘদিন তাদেরকে সেখানে কাটতে হয়। খ্রিষ্টপূর্ব ১৩০০ অব্দের কাছাকাছি মুসা (আঃ) তিনি ইসরাইল জাতিকে নেতৃত্ব দিয়ে তাদেরকে দাসত্ব থেকে মুক্তি দেন। মুসা আ. দীর্ঘদিন তাদেরকে আল্লাহ তালার রুবিবিয়াত ও রিসালাতের দাওয়াত দিতে থাকেন। ইহুদিরা মুসা আ. এর সাথে বিরোধিতা করেন। মুসা আ. এর সাথে অবাধ্যতা শুরু করে। তার ধর্মের সাথে বিরোধিতা করে।
বর্তমানে ইহুদি জাতি সমস্ত পৃথিবীতে এক আতঙ্কের নাম। ফিলিস্তিনে হাজার হাজার মুসলমান শিশু-নারী-পুরুষ হত্যা করার এক মহা উৎসবে লিপ্ত হয়েছে। এদিকে মুসলিম রাষ্ট্রগুলো মুখে কুলুপ এঁটে বলে আছে। তারও আর একটা কারণ রয়েছে। আরব মুসলমান রাষ্ট্রগুলো আমেরিকার উপর নির্ভরশীল।
বাদশা সালমান আমেরিকার পেটিকোটের নিচে আশ্রয় নিয়েছে। আর ওদিকে মধ্য আরবের রাষ্ট্রগুলো ভারতের দেবদেবী নিয়ে পূজা আর্চনা শুরু করেছে।
এদিকে দুই একটি মুসলিম রাষ্ট্র ইরান ও তুরস্ক ফিলিস্তিন, গাজাবাসীর জন্য কতটুকুই বা করতে পারে। ভারত ব্রাহ্মণ্যবাদ ইসরাইলের সাথে যোগ দিয়ে যুদ্ধ সরনজম দিয়ে সাহায্য করছে।
পৃথিবীতে মুসলমান রাষ্ট্রগুলো এক হতাশা সাগরে নিমজ্জিত। এখান থেকে তারা উঠে আসতে পারবে না। আজকে ব্রাহ্মণবাদী ভারত তার দেশে রীতিমতো মুসলিম নিধন করে চালাচ্ছে। কই? এর বিরুদ্ধেতো কোনো মুসলিম দেশ আওয়াজ তোলেনি। আওয়াজতো তুলে ধরা দূরে থাক মুখে ম্যানম্যান করেছে। খুনি মুদির আজ্ঞাবহ থাকার জন্য।
গুজরাটে মুদি কসাই কয়েক হাজার মুসলমান কয়েক দিনের মধ্য হত্যা করেছে। ওখানকার মুসলিম এমএলএ জাফরিকে হিন্দুত্ববাদী ডাকাতরা রাস্তার মধ্য জবাই করে টুকরো টুকরো করে ফেলেছে। কই মুসলমান রাষ্ট্রগুলোতো কোনো প্রতিবাদ জানাইনি। ইসলামি দলগুলো শুধুই নাম কাওয়াস্তে প্রতিবাদ জানিয়েছে। হিন্দুত্ববাদী বিজিপি এখনো মুসলমান হত্যা করে চলেছে। ব্রাহ্মণ্যবাদরা পৃথিবীজুড়ে হত্যালীলায় মেতেছে। এখন আসি ইহুদিদের কথায়। ইহুদিদের ব্যতিক্রমধর্মী বেশকিছু বৈশিষ্ট্য রয়েছে। যেমন শারীরিক শ্রমের প্রতি তাদের অনীহা। সন্তান উৎপাদনে অধিক আগ্রহী। সমবেত উপায়ে জাতীয় ঐক্য বজায় রাখার সক্ষমতা। বিশ্বের বেশিরভাগ রাজনৈতিক আঁতুড় ঘরগুলোকে তারা একটি চেইন প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করা মূল লক্ষ্য।
জেরুজালেম হাজার বৎসরের পুরানো এই ভূমিকে পুনরায় ইজরাইলের রাজধানী করা অত সহজ নয় এ কথা তারা জানে। এই মুহূর্তে তারা বাংলাদেশের সাথে লাগানো একটি ইহুদি রাষ্ট্র গঠনে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তার অনেক প্রমাণ অনেক ভাবে পাওয়া যায়। ভারত ওই ভয়ে এখন অস্থির হয়ে উঠেছে। এখন আসা যাক ইহুদিরা পৃথিবীর বিংশ শতাব্দী থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে যতগুলো যুদ্ধ সংগঠিত হয়েছে তার বেশিরভাগ যুদ্ধেই তাদের অর্থে পরিচালিত হয়েছে। শুধু তাই নয় যুদ্ধে উভয় পক্ষকেই প্রয়োজনীয় অর্থ ও অস্ত্র সরবরাহ করেছে।
এখন শুধু হিন্দুত্ববাদী বিজিপি নয় ভারতের সব রাজনৈতিক দলগুলো বর্তমানে হিন্দুত্ববাদী ভারত সরকারকে সমর্থন করছে। তাদের সবারই স্বপ্ন এক। অখণ্ড ভারত।
ইহুদিরা জালিয়াতি জাতি। আমেরিকাকে নানাভাবে নানা কন্ট্রোল করছে। আমেরিকা বহুবার অভিবাসী নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে রাশিয়া জার্মানি ও পোল্যান্ডের উপর এই নিষেধ এতোই প্রকট ছিল, সে দেশের একজন সাধারণ মানুষও আমেরিকার অভিবাসী হওয়ার সুযোগ পায়নি। তারপরও দেখা যায় ইহুদিরা ওই দেশগুলো থেকো আমেরিকায় প্রবেশ করে। সেই সঙ্গে নিউইয়র্কের এলসা দ্বীপে নিজেদের বাড়ি তৈরি করতে শুরু করে। পাঠক বুঝুন, এই জাতি কতটাকা সুকৌশলী এরা দুনিয়ার যেখানে যাবে তারা সেখানে জাহান্নামের একটা অংশ বানিয়ে ছাড়বে। এরা জাতি জাতিতে বিভেদ সৃষ্টি করবে নিজেদের স্বার্থ হাসিলের জন্য। যদি ভারতীয় হিন্দু ইতিহাসের দিকে তাকাই তা হলো দেখতে পাব ব্রাহ্মণবাদ তাদের অত্যাচারের নির্মম ঘটনা। নরবলি থেকে যতরকম কুসংস্কার এদের মধ্যে বিরাজমান আছে। নিম্নবর্ণের হিন্দুদের উপর অত্যাচার এখনো চালিয়ে যাচ্ছে। এখানে যাই প্রায় বিত্তবান হিন্দু বিজিপিরা সারা দুনিয়া হত্যাযজ্ঞ চালানোর নতুন পরিকল্পনা নিয়ে এগুচ্ছে। বাংলাদেশের হাসিনার যে গণহত্যা চালিয়েছিল তারও মদদদাতা এই বিজিবি সরকার। মুদির প্রত্যক্ষ মদদে হাসিনা এই হত্যাকাণ্ড চালিয়েছে। বাংলাদেশের জুলাই হত্যাকাণ্ড যা পৃথিবীর ইতিহাসের নতুন ছাত্রজনতার বিপ্লবের এক নতুন ইতিহাস। ইতিহাসবিদদের জন্য এই বিপ্লব গবেষণার খোরাক হয়ে থাকবে। হিন্দুত্বাবদী বিজিপি সরকার ধারণা করতে পারেনি এই অল্প কয়েকদিনের মধ্যে বাংলাদেশে থেকে তাদের হিন্দুত্ববাদের কবর রচনা হবে। আর যদি ধরে নেই বর্তমান পৃথিবীর ক্ষয়িষ্ণু মোড়ল আমেরিকা যেভাবে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিবর্তন চেয়েছিল সেটা সেভাবে হয়নি। বর্তমান রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্য বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলাম যদি কোন ভুল করে বসে তাহলে বাংলাদেশিদের আবারও কত বছর ভুলের খেসারত দিতে হবে সেটা ইতিহাসই বলে দিবে।