খ্যাতনামা আলোকচিত্রী ও মানবাধিকারকর্মী ড. শহিদুল আলমকে আমাদের অন্তরের গভীর শ্রদ্ধা ও শুভেচ্ছা।
আপনি যে সাহসী পদক্ষেপে গেøাবাল সুমুদ ফ্লোটিলার সঙ্গে গাজা অভিমুখে যাত্রা করেছেন, তা কেবল একটি আন্তর্জাতিক নাগরিক উদ্যোগ নয়, এটি মানবতার পক্ষের দৃঢ় উচ্চারণ। বিশ্ব যখন নীরব, তখন আপনার এই অগ্রযাত্রা নিপীড়িত ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি ভালোবাসা, সংহতি ও মানবতার চিরন্তন আহŸানকে নতুন করে জাগিয়ে তুলেছে।
বাংলাদেশের একজন নাগরিক হিসেবে আপনার এ অংশগ্রহণ আমাদের জাতীয় মর্যাদা বাড়িয়েছে বহুগুণে। আপনার সাহস আমাদের অনুপ্রেরণা জোগায়, আপনার দুঃসাহসিক পদক্ষেপ আমাদের শিখিয়ে দেয়, মানুষের পাশে দাঁড়ানোই জীবনের শ্রেষ্ঠ দায়িত্ব।
আলোচনা ম্যাগাজিনের পক্ষ থেকে আপনাকে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা। আমরা গর্বিত, আপনি বাংলাদেশের নাম মানবতার ইতিহাসে আরও উজ্জ্বল করে তুললেন।
আলোচনা পরিবার
গত ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ইতালি থেকে রওনা হন শহিদুল আলম। এই যাত্রায় যোগদানের বিষয়ে শহিদুল আলম বলেন, ‘গাজায় গণহত্যা চলছে। ইসরাইল ও আমেরিকা একসঙ্গে ফিলিস্তিনে, গাজায় মানুষকে খুন করছে। তার সঙ্গে পাশ্চাত্যের অনেকগুলো দেশ যুক্ত। তারাও সহযোগিতা করছে এবং তারাও এতে অংশীদার। কিন্তু পৃথিবীর অনেক দেশের অনেক মানুষ এর প্রতিবাদও করছে। এই প্রতিবাদের সঙ্গে সম্পৃক্ততা রেখে আমি মিডিয়া ফ্লোটিলায় যোগ দিতে দিয়েছি। আমি যাচ্ছি বাংলাদেশের প্রথম একজন হিসেবে। কিন্তু আমি মনে করি, বাংলাদেশের সকল মানুষের ভালোবাসা সঙ্গে নিয়ে যাচ্ছি। এই সংগ্রামে যদি আমরা পরাজিত হই, তাহলে মানবজাতি পরাজিত হবে।’
প্রসঙ্গত, মিডিয়া ফ্লোটিলা হলো এমন এক নৌবহর, যা গাজার ওপর ইসরাইলি অবরোধ ভাঙতে তথ্য ও সংবাদমাধ্যমের মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক মনোযোগ আকর্ষণ করার একটি প্রচেষ্টা।