”টেকসই উন্নয়নের জন্য অবকাঠামোর চেয়েও বেশি জরুরি ‘মানবিক গুণাবলী’র উন্নয়ন’। যিনি শাসন ব্যবস্থার দায়িত্ব নিলেন, সেই পার্টি বা সেই রাজনৈতিক দল বা সেই শাসন ব্যবস্থার সাথে যারা জড়িত আছে, তাদের ভাবনা চিন্তাটাই হলো মূল জায়গা। আমরা সাধারণ মানুষের ভাবনা চিন্তা আমরা করতে পারি, বাট সেটা বাস্তবায়ন হবে না যদি সেটাকে মানে পলিটিক্যাল পার্টির ভাবনা চিন্তার মধ্যে না আসে। তাহলে এই জায়গাতে আমাদের মূল ফোকাসটা হওয়া দরকার। আমরা সব সময় বলি যে, আমরা সুখী সমৃদ্ধ একটা দেশ তৈরি করতে চাই, যেখানে মানুষের নিরাপত্তা, মানুষের কথা বলার অধিকার, এই সব বিষয়গুলো থাকবে। কিন্তু সেটা করতে গেলে আমাদের এই পলিটিক্যাল পার্টি বা রাষ্ট্রের যে কমিটমেন্টের জায়গা, সেটাকে ইনসিওর করতে হবে। আমি মনে করি সেক্ষেত্রে আমরা ভবিষ্যতের দিকে তাকাতে গেলে আমাদের অতীতের দিকেও তাকাতে হবে। আমাদের কিছু হিউম্যান কোয়ালিটি ছিল। যে কোয়ালিটিগুলা সময়ের সাথে আমরা বাদ দিয়েছি। সেটা হলো যে মানুষ সত্য কথা বলতে পারত, মানুষ তার কাজের মধ্যে যে সততার জায়গাটা ছিল এবং নৈতিকতার জায়গাগুলো ছিল যেটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিখাইছে, একটা পরিবার শিখাইছে। এই জিনিসগুলো কিন্তু আমাদের মধ্যে আর তেমন নাই।

আমরা আপাতদৃষ্টিতে হয়তো আমি একটা নিরাপত্তা চাচ্ছি। রাস্তার শৃঙ্খলা চাচ্ছি, এটা সাসটেইন করবে না যদি বিষয়টি নিয়ে মানুষ সচেতন না হয়। সভ্যতার শেখানোর একটা ইনিস্টিটিউশন তৈরি হওয়া জরুরি। সেই সাথে পলিটিক্যাল পার্টিগুলোকে নৈতিকতা ধারণ করতে হবে। পুরা সিস্টেমের মধ্যেই এই পরিবর্তন যদি আনা যায়, তাহলে আমি মনে করি রাষ্ট্র একটা দীর্ঘমেয়াদী ফল পাবে। আদারওয়াইজ আমরা কিছু আইন করব, কিন্তু সেটা যদি যারা শাসন ব্যবস্থার সাথে জড়িত, যারা পলিটিক্যাল পার্টির সাথে জড়িত, তারা যদি এটাকে না মানে, বিলং করে, তাহলে কিন্তু ঐ আইনও বাস্তবায়ন হবে না। সেই জন্য আমি মনে করি আমাদের এই মানবিকতার উন্নয়ন দরকার, এই হিউম্যান কোয়ালিটিগুলোকে বাই এনি মিনস এটাকে কিভাবে আমরা অ্যাড্রেস করতে পারি সেই দিক নিয়ে আমাদের কাজ করা দরকার।
প্যানেল আলোচক, উপ-নির্বাহী পরিচালক-২, টিএমএসএস