• বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৩ অপরাহ্ন

 সাঘাটা উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনার তুঙ্গে আতিক হাসান ইমন

নিজস্ব প্রতিবেদন / ১৫৯ Time View
Update : রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলা ছাত্রদলের আসন্ন কমিটিকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনীতিতে বিপুল উৎসাহ ও প্রাণচাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের পরীক্ষিত ত্যাগী ও উদীয়মান নেতৃত্বের খোঁজ করছেন স্থানীয় তৃণমূলের মূলধারার নেতাকর্মীরা। ঠিক এই মুহূর্তে সাঘাটা উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক পদে সর্বস্তরের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের আলোচনা ও পছন্দের শীর্ষ তালিকায় স্থান করে নিয়েছেন গতিশীল ও লড়াকু ছাত্রনেতা মোঃ আতিক হাসান ইমন। ছাত্র জীবনের একেবারে শুরু থেকেই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতি ও আদর্শের সঙ্গে নিজেকে আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে রাখা এই নেতা সাঘাটার রাজপথের একজন পরিচিত ও বিশ্বাসযোগ্য মুখ হিসেবে নিজের অবস্থান সুদৃঢ় করেছেন। তৃণমূলের প্রতিটি স্তরের নেতাকর্মীদের সঙ্গে তাঁর নিবিড় যোগাযোগ, দলের প্রতিটি সংকটকালে সুদৃঢ় অবস্থান এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপসহীন লড়াই তাঁকে রাজনৈতিক অঙ্গনে একটি বিশেষ মর্যাদার আসনে বসিয়েছে।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, মোঃ আতিক হাসান ইমন কেবল সুবিধার দিনে রাজনীতির সুবিধা ভোগ করতে আসেননি, বরং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের পতাকাতলে দাঁড়িয়ে দীর্ঘ পথচলায় সংগঠনের প্রতি প্রকাশ করেছেন এক গভীর অনুরাগ ও দায়িত্ববোধ। এই আদর্শিক রাজনৈতিক চেতনাই তাঁর পুরো জীবনের মূল প্রেরণা হিসেবে কাজ করেছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশে যখন একের পর এক কঠিন রাজনৈতিক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, তখন সাঘাটার রাজপথে জীবনের তোয়াক্কা না করে প্রতিবাদী মিছিল ও দলীয় কর্মসূচিগুলোতে সামনের সারিতে অবস্থান নেন এই ত্যাগী ছাত্রনেতা। বিশেষ করে বিগত ২৮শে অক্টোবরের ঐতিহাসিক আন্দোলন-সংগ্রামের কঠিন ও অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতিতে তিনি দলীয় নির্দেশনার প্রতি শতভাগ অনুগত থেকে রাজপথে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরবর্তীতে ঘোষিত একের পর এক কঠোর হরতাল ও অবরোধ কর্মসূচি সফল করার লক্ষ্যে তিনি নিজের জীবনের পরম ঝুঁকি নিয়ে রাজপথের একদম সমনে থেকে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সাহস জুগিয়েছেন এবং আন্দোলনে সফল নেতৃত্ব প্রদান করেছেন।

দলীয় কর্মসূচির পাশাপাশি জাতীয় সংকটকালে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন ও ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানেও সাঘাটা অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের সংগঠিত করতে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন মোঃ আতিক হাসান ইমন। চব্বিশের ঐতিহাসিক ছাত্র-জনতার আন্দোলনে যখন সারাদেশ উত্তাল হয়ে উঠেছিল, তখন সাঘাটার রাজপথে প্রতিবাদী ছাত্রজনতাকে ঐক্যবদ্ধ করার মূল দায়িত্বটি কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন তিনি। বিশেষ করে চব্বিশের ২৪শে জুলাই এবং পরবর্তীকালে বিপ্লবের চূড়ান্ত ও স্মরণীয় মুহূর্ত হিসেবে পরিচিত ৩ ও ৪ঠা আগস্টের ভয়াবহ ও অগ্নিঝরা দিনগুলোতে জীবনের চরম ঝুঁকি উপেক্ষা করে সাঘাটার অলিগলিতে শিক্ষার্থীদের সুসংগঠিত করেন। তিনি স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের প্রথম সারিতে থেকে মিছিলে নেতৃত্ব দেন এবং ছাত্র-জনতার দাবি আদায়ে অবিচল ভূমিকা পালন করেন। রাজপথের এই সক্রিয়তা তাঁকে সাঘাটা উপজেলার সাধারণ ছাত্র সমাজ ও তৃণমূল রাজনৈতিক কর্মীদের কাছে অত্যন্ত আস্থাশ্যে পরিণত করেছে।

স্থানীয় সাধারণ কর্মী ও প্রবীণ রাজনীতিকদের মতে, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দেশনায়ক তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করা এবং সাঘাটা উপজেলার ছাত্ররাজনীতিকে সুশৃঙ্খলভাবে পুনর্গঠিত করতেই ইমন নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। রাজনীতিতে তাঁর মূল দর্শন হলো কোনো ব্যক্তি বা স্বার্থের কাছে মাথানত না করে মাঠপর্যায়ে ন্যায়ের পক্ষে আপসহীন লড়াই চালিয়ে যাওয়া। নিজের প্রার্থিতা এবং রাজনৈতিক লক্ষ্য প্রসঙ্গে খোলামেলা আলোচনায় মোঃ আতিক হাসান ইমন জানান, আগামী দিনে সাঘাটা উপজেলা ছাত্রদলকে কোনো সনাতনী বা বিশৃঙ্খল সংগঠন হিসেবে নয়, বরং একটি সম্পূর্ণ আধুনিক, শিক্ষাভিত্তিক, শিক্ষার্থীবান্ধব, গতিশীল ও সুসংগঠিত আদর্শিক শক্তিতে পরিণত করাই তাঁর মূল রাজনৈতিক লক্ষ্য। সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের অধিকার আদায় এবং যেকোনো অন্যায়ের বিরুদ্ধে ছাত্রদল যাতে সাঘাটায় প্রথম সারিতে দাঁড়াতে পারে, সেভাবেই তিনি ভবিষ্যতের কর্ম পরিকল্পনা সাজাচ্ছেন।

নিজের এই মহৎ ও প্রাতিষ্ঠানিক লক্ষ্য বাস্তবায়ন করতে আসন্ন সাঘাটা উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী হিসেবে মোঃ আতিক হাসান ইমন সাঘাটার সর্বস্তরের নেতাকর্মী, সাধারণ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের কাছ থেকে দোয়া, সমর্থন এবং সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেছেন। স্থানীয় তৃণমূলের দীর্ঘদিনের বঞ্চিত ও ত্যাগী নেতাকর্মীরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন যে, দুঃসময়ে পরীক্ষিত ও রাজপথের লড়াকু এই তরুণের হাতে যদি সাঘাটা উপজেলা ছাত্রদলের দায়িত্ব ও নেতৃত্ব অর্পিত হয়, তবে সংগঠনটির ভেতর শৃঙ্খলার নতুন পরিবেশ তৈরি হবে। ইমন সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেলে সাঘাটা উপজেলা ছাত্রদল শুধু রাজনৈতিকভাবেই শক্তিশালী হবে না, বরং সাধারণ শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ের একটি নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে বলে সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা প্রতিনিয়ত আশা ব্যক্ত করছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category